ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
দৈনিক জনকথা

কোনাবাড়ীতে কুরবানির গরু বাঁধতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা ও দুই ছেলের করুণ মৃত্যু ওয়াদুদ খন্দকার, গাজীপুর প্রতিনিধি | দৈনিক জনকথা



কোনাবাড়ীতে কুরবানির গরু বাঁধতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা ও দুই ছেলের করুণ মৃত্যু  ওয়াদুদ খন্দকার, গাজীপুর প্রতিনিধি | দৈনিক জনকথা

কোনাবাড়ীতে কুরবানির গরু বাঁধতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা ও দুই ছেলের করুণ মৃত্যু

ওয়াদুদ খন্দকার, গাজীপুর প্রতিনিধি | দৈনিক জনকথা

গাজীপুর: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ী এলাকায় কুরবানির গরু বাঁধার সময় ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বাবা ও তাঁর দুই ছেলেসহ একই পরিবারের তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে চারপাশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কেনা কুরবানির গরুটি বাড়ির পাশে একটি নির্দিষ্ট স্থানে বাঁধতে যান বাবা। সে সময় ওপর দিয়ে যাওয়া পল্লী বিদ্যুতের একটি সচল লাইন আকস্মিক ছিঁড়ে গরুর ওপর এবং মাটিতে পড়ে যায়। চোখের পলকে গরুটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছটফট করতে থাকলে বাবা সেটিকে বাঁচাতে এগিয়ে যান এবং নিজেই বিদ্যুতায়িত হন।

বাবার এই করুণ অবস্থা দেখে পাশে থাকা তাঁর দুই ছেলে বাবাকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ছুটে যান। কিন্তু কোনো রকম নিরাপত্তা প্রস্তুতি না থাকায় দুই ছেলেও মুহূর্তের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই বাবা ও তাঁর দুই ছেলের করুণ মৃত্যু হয়। সেই সাথে কুরবানির গরুটিও মারা যায়। [1, 2]

খবর পেয়ে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ নিশ্চিত করে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন।

কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি দুর্ঘটনা। ওপর থেকে হঠাৎ বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়াতেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতির কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।

দৈনিক জনকথা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


কোনাবাড়ীতে কুরবানির গরু বাঁধতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা ও দুই ছেলের করুণ মৃত্যু ওয়াদুদ খন্দকার, গাজীপুর প্রতিনিধি | দৈনিক জনকথা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image

কোনাবাড়ীতে কুরবানির গরু বাঁধতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা ও দুই ছেলের করুণ মৃত্যু

ওয়াদুদ খন্দকার, গাজীপুর প্রতিনিধি | দৈনিক জনকথা

গাজীপুর: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ী এলাকায় কুরবানির গরু বাঁধার সময় ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বাবা ও তাঁর দুই ছেলেসহ একই পরিবারের তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে চারপাশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কেনা কুরবানির গরুটি বাড়ির পাশে একটি নির্দিষ্ট স্থানে বাঁধতে যান বাবা। সে সময় ওপর দিয়ে যাওয়া পল্লী বিদ্যুতের একটি সচল লাইন আকস্মিক ছিঁড়ে গরুর ওপর এবং মাটিতে পড়ে যায়। চোখের পলকে গরুটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছটফট করতে থাকলে বাবা সেটিকে বাঁচাতে এগিয়ে যান এবং নিজেই বিদ্যুতায়িত হন।

বাবার এই করুণ অবস্থা দেখে পাশে থাকা তাঁর দুই ছেলে বাবাকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ছুটে যান। কিন্তু কোনো রকম নিরাপত্তা প্রস্তুতি না থাকায় দুই ছেলেও মুহূর্তের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই বাবা ও তাঁর দুই ছেলের করুণ মৃত্যু হয়। সেই সাথে কুরবানির গরুটিও মারা যায়। [1, 2]

খবর পেয়ে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ নিশ্চিত করে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন।

কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি দুর্ঘটনা। ওপর থেকে হঠাৎ বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়াতেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতির কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।


দৈনিক জনকথা

সম্পাদক ও প্রকাশক: ওয়াদুদ খন্দকার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক জনকথা
কোনাবাড়ীতে কুরবানির গরু বাঁধতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা ও দুই ছেলের করুণ মৃত্যু ওয়াদুদ খন্দকার, গাজীপুর প্রতিনিধি | দৈনিক জনকথা
0:00 0:00
1.0x