ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
দৈনিক জনকথা

বাঁচতে চায় সানজিদা: ৯ বছর ধরে বিছানায় বন্দি মেধাবী ছাত্রীর হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুতি



বাঁচতে চায় সানজিদা: ৯ বছর ধরে বিছানায় বন্দি মেধাবী ছাত্রীর হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুতি

ক্যানসার রোগীদের সুরথিরাপি থেকে ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’ চ্যাম্পিয়ন: জ্যোতির্ময়ী নায়কের অবিশ্বাস্য গল্প ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা বিনোদন ডেস্ক | ২৮ জুলাই, ২০২৬

রাজধানী থেকে সাতক্ষীরার সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম গ্রেফতার

কালিগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক: জাংগালিয়ায় শিক্ষার্থীসহ আহত ৮, ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা ওয়াদুদ খন্দকার, কালিগঞ্জ (গাজীপুর) , দৈনিক জনকথা:

প্রাথমিকের স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টির মেলবন্ধনে নতুন দিগন্ত, প্রয়োজন কঠোর নজরদারি ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা

টাকা দিলে সার্ভার খোলা, না দিলে নেট সমস্যা: জাঙ্গালিয়া ইউপিতে চরম ভোগান্তি ওয়াদুদ খন্দকার, গাজীপুর প্রতিনিধি দৈনিক জনকথা কালীগঞ্জ (গাজীপুর):

বাঁচতে চায় সানজিদা: ৯ বছর ধরে বিছানায় বন্দি মেধাবী ছাত্রীর হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার, ইচ্ছে ছিল পড়াশোনা শেষ করে বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে দীর্ঘ ৯টি বছর ধরে চার দেয়ালের মাঝে, বিছানায় বন্দি হয়ে আছে এক সময়ের প্রাণবন্ত ও মেধাবী স্কুলছাত্রী সানজিদা আক্তার মুন্নি। নরুন উচ্চ বিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীর জীবন এখন কাটছে তীব্র যন্ত্রণায়। নতুন করে তার হাতে ধরা পড়েছে টিউমার, যা অপসারণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন ২ লাখ টাকা। কিন্তু অর্থের অভাবে থমকে গেছে তার চিকিৎসা। 

তছনছ হয়ে যাওয়া এক পরিবারের গল্প

মুন্নি নরুন গ্রামের অটোরিকশা চালক মোনতাজউদ্দিনের মেয়ে। একসময় মুন্নির বাবা সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন এবং সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু মেয়ের আকস্মিক অসুস্থতা পুরো পরিবারের ভাগ্য বদলে দেয়। মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে জমি-জমা, জমানো টাকা সবকিছুই শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে একাধিকার ভারতে নিয়েও মুন্নির চিকিৎসা করানো হয়েছিল। বর্তমানে দেশেই প্রতি মাসে তার ওষুধের পেছনে খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। সব হারিয়ে এখন অটোরিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার ও মেয়ের ওষুধের খরচ টানছেন তার বাবা। 

নতুন বিপদ: হাতের টিউমার

দীর্ঘদিন ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী থাকা মুন্নির শরীরে নতুন করে আরেকটি আঘাত এসেছে। তার হাতে একটি টিউমার দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত অপারেশন না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এই অপারেশনের জন্য প্রয়োজন ২ লাখ টাকা। কিন্তু একজন অটোরিকশা চালক বাবার পক্ষে এই মুহূর্তে এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অর্থের অভাবে চোখের সামনে মেয়ের এই কষ্ট আর সহ্য করতে পারছেন না অসহায় বাবা-মা। 

সমাজের কাছে আকুল আবেদন

মানবিক সহায়তা আর একটু সহানুভূতি পেলে হয়তো নতুন করে চিকিৎসার সুযোগ পাবে মুন্নি। ফিরে পেতে পারে স্বাভাবিক ও সুস্থ সুন্দর জীবন। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দানশীল প্রতিষ্ঠান, প্রবাসী ভাই-বোন এবং সকল হৃদয়বান মানুষের সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে মুন্নির বেঁচে থাকার শেষ আশার আলো। আপনার পাঠানো সামান্য সাহায্য একটি প্রাণ বাঁচাতে পারে, ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের মুখে হাসি। 

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও যোগাযোগ:

মুন্নির চিকিৎসায় সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে বা যোগাযোগ করতে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করুন:

যোগাযোগের নম্বর: ০১৮২০১৯৭২৬৮

বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৮৭৮৭৩৫৪৯৬

আসুন, যে যার সাধ্যমতো সানজিদা আক্তার মুন্নির পাশে দাঁড়াই। আপনার ক্ষুদ্র অবদান একটি জীবনকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারে।

বিষয় : গাজীপুর কালীগঞ্জ নুরুন

দৈনিক জনকথা

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


বাঁচতে চায় সানজিদা: ৯ বছর ধরে বিছানায় বন্দি মেধাবী ছাত্রীর হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুতি

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image

বাঁচতে চায় সানজিদা: ৯ বছর ধরে বিছানায় বন্দি মেধাবী ছাত্রীর হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার, ইচ্ছে ছিল পড়াশোনা শেষ করে বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে দীর্ঘ ৯টি বছর ধরে চার দেয়ালের মাঝে, বিছানায় বন্দি হয়ে আছে এক সময়ের প্রাণবন্ত ও মেধাবী স্কুলছাত্রী সানজিদা আক্তার মুন্নি। নরুন উচ্চ বিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীর জীবন এখন কাটছে তীব্র যন্ত্রণায়। নতুন করে তার হাতে ধরা পড়েছে টিউমার, যা অপসারণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন ২ লাখ টাকা। কিন্তু অর্থের অভাবে থমকে গেছে তার চিকিৎসা। 

তছনছ হয়ে যাওয়া এক পরিবারের গল্প

মুন্নি নরুন গ্রামের অটোরিকশা চালক মোনতাজউদ্দিনের মেয়ে। একসময় মুন্নির বাবা সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন এবং সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু মেয়ের আকস্মিক অসুস্থতা পুরো পরিবারের ভাগ্য বদলে দেয়। মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে জমি-জমা, জমানো টাকা সবকিছুই শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে একাধিকার ভারতে নিয়েও মুন্নির চিকিৎসা করানো হয়েছিল। বর্তমানে দেশেই প্রতি মাসে তার ওষুধের পেছনে খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। সব হারিয়ে এখন অটোরিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার ও মেয়ের ওষুধের খরচ টানছেন তার বাবা। 

নতুন বিপদ: হাতের টিউমার

দীর্ঘদিন ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী থাকা মুন্নির শরীরে নতুন করে আরেকটি আঘাত এসেছে। তার হাতে একটি টিউমার দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত অপারেশন না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এই অপারেশনের জন্য প্রয়োজন ২ লাখ টাকা। কিন্তু একজন অটোরিকশা চালক বাবার পক্ষে এই মুহূর্তে এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অর্থের অভাবে চোখের সামনে মেয়ের এই কষ্ট আর সহ্য করতে পারছেন না অসহায় বাবা-মা। 

সমাজের কাছে আকুল আবেদন

মানবিক সহায়তা আর একটু সহানুভূতি পেলে হয়তো নতুন করে চিকিৎসার সুযোগ পাবে মুন্নি। ফিরে পেতে পারে স্বাভাবিক ও সুস্থ সুন্দর জীবন। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দানশীল প্রতিষ্ঠান, প্রবাসী ভাই-বোন এবং সকল হৃদয়বান মানুষের সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে মুন্নির বেঁচে থাকার শেষ আশার আলো। আপনার পাঠানো সামান্য সাহায্য একটি প্রাণ বাঁচাতে পারে, ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের মুখে হাসি। 

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও যোগাযোগ:

মুন্নির চিকিৎসায় সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে বা যোগাযোগ করতে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করুন:

যোগাযোগের নম্বর: ০১৮২০১৯৭২৬৮

বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৮৭৮৭৩৫৪৯৬

আসুন, যে যার সাধ্যমতো সানজিদা আক্তার মুন্নির পাশে দাঁড়াই। আপনার ক্ষুদ্র অবদান একটি জীবনকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারে।


দৈনিক জনকথা

সম্পাদক ও প্রকাশক: ওয়াদুদ খন্দকার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক জনকথা
বাঁচতে চায় সানজিদা: ৯ বছর ধরে বিছানায় বন্দি মেধাবী ছাত্রীর হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুতি
0:00 0:00
1.0x