ঢাকা    বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
দৈনিক জনকথা

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: কোন শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না?



ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: কোন শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না?

গাজীপুর জেলা এনসিপির কালীগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন: — ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা

কালীগঞ্জে প্রশাসনের শক্ত অবস্থান: পুনশাহী এলাকায় বন্ধ হলো বাল্যবিয়ে ওয়াদুদ খন্দকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালীগঞ্জ

ক্যানসার রোগীদের সুরথিরাপি থেকে ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’ চ্যাম্পিয়ন: জ্যোতির্ময়ী নায়কের অবিশ্বাস্য গল্প ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা বিনোদন ডেস্ক | ২৮ জুলাই, ২০২৬

রাজধানী থেকে সাতক্ষীরার সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম গ্রেফতার

কালিগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক: জাংগালিয়ায় শিক্ষার্থীসহ আহত ৮, ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা ওয়াদুদ খন্দকার, কালিগঞ্জ (গাজীপুর) , দৈনিক জনকথা:

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: কোন শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না?

শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে লাখ লাখ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে উপকারিতা থাকলেও, সব শিশুর জন্য সব সময়ে এই উচ্চমাত্রার ক্যাপসুল নিরাপদ নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, নির্দিষ্ট কিছু শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের ক্যাপসুল দেওয়া যাবে না।

আসুন জেনে নিই কোন কোন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে:

১. ৬ মাসের কম বয়সী শিশু

জন্ম থেকে শুরু করে ৫ মাস ২৯ দিন বয়স পর্যন্ত শিশুদের এই ক্যাম্পেইনের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় না। এই বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য মায়ের বুকের দুধই একমাত্র এবং সম্পূর্ণ খাবার। মায়ের দুধেই শিশুর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ থাকে। তাই এই বয়সী শিশুদের আলাদাভাবে উচ্চমাত্রার ক্যাপসুল দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

২. সম্প্রতি উচ্চমাত্রার ক্যাপসুল খাওয়া শিশু

কোনো শিশু যদি গত এক মাসের (২৮ থেকে ৩০ দিন) মধ্যে অন্য কোনো চিকিৎসার অংশ হিসেবে বা অন্য কোনো কারণে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়ে থাকে, তবে তাকে এই ক্যাম্পেইনে পুনরায় ক্যাপসুল দেওয়া যাবে না। শরীরে ভিটামিন ‘এ’-এর মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে গেলে তা শিশুর উপকারের চেয়ে ক্ষতি করতে পারে।

৩. মারাত্মক অসুস্থ শিশু

ক্যাম্পেইন চলাকালীন যদি কোনো শিশু তীব্রভাবে অসুস্থ থাকে (যেমন- তীব্র জ্বর, বমি বা অচেতন অবস্থা), তবে তাকে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ক্যাপসুল খাওয়ানো উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশু সুস্থ হলে পরবর্তী সময়ে তাকে এই ডোজ দেওয়া যেতে পারে।

মা-বাবাদের জন্য জরুরি সতর্কতা:

  • শিশুকে জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ক্যাপসুল খাওয়াবেন না, এতে ক্যাপসুল শ্বাসনালীতে ঢুকে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
  • আপনার শিশু গত এক মাসে কোনো ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়েছে কিনা, তা কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মীকে অবশ্যই জানান।
  • ক্যাপসুল খাওয়ানোর পর শিশুর কোনো অস্বাভাবিক সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সচেতনতাই পারে আমাদের শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে। ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের নিয়ম জানুন, অন্য মা-বাবাকেও সচেতন করুন।

দৈনিক জনকথা

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: কোন শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না?

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: কোন শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না?

শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে লাখ লাখ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে উপকারিতা থাকলেও, সব শিশুর জন্য সব সময়ে এই উচ্চমাত্রার ক্যাপসুল নিরাপদ নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, নির্দিষ্ট কিছু শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের ক্যাপসুল দেওয়া যাবে না।

আসুন জেনে নিই কোন কোন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে:

১. ৬ মাসের কম বয়সী শিশু

জন্ম থেকে শুরু করে ৫ মাস ২৯ দিন বয়স পর্যন্ত শিশুদের এই ক্যাম্পেইনের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় না। এই বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য মায়ের বুকের দুধই একমাত্র এবং সম্পূর্ণ খাবার। মায়ের দুধেই শিশুর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ থাকে। তাই এই বয়সী শিশুদের আলাদাভাবে উচ্চমাত্রার ক্যাপসুল দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

২. সম্প্রতি উচ্চমাত্রার ক্যাপসুল খাওয়া শিশু

কোনো শিশু যদি গত এক মাসের (২৮ থেকে ৩০ দিন) মধ্যে অন্য কোনো চিকিৎসার অংশ হিসেবে বা অন্য কোনো কারণে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়ে থাকে, তবে তাকে এই ক্যাম্পেইনে পুনরায় ক্যাপসুল দেওয়া যাবে না। শরীরে ভিটামিন ‘এ’-এর মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে গেলে তা শিশুর উপকারের চেয়ে ক্ষতি করতে পারে।

৩. মারাত্মক অসুস্থ শিশু

ক্যাম্পেইন চলাকালীন যদি কোনো শিশু তীব্রভাবে অসুস্থ থাকে (যেমন- তীব্র জ্বর, বমি বা অচেতন অবস্থা), তবে তাকে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ক্যাপসুল খাওয়ানো উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশু সুস্থ হলে পরবর্তী সময়ে তাকে এই ডোজ দেওয়া যেতে পারে।

মা-বাবাদের জন্য জরুরি সতর্কতা:

  • শিশুকে জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ক্যাপসুল খাওয়াবেন না, এতে ক্যাপসুল শ্বাসনালীতে ঢুকে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
  • আপনার শিশু গত এক মাসে কোনো ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়েছে কিনা, তা কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মীকে অবশ্যই জানান।
  • ক্যাপসুল খাওয়ানোর পর শিশুর কোনো অস্বাভাবিক সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সচেতনতাই পারে আমাদের শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে। ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের নিয়ম জানুন, অন্য মা-বাবাকেও সচেতন করুন।


দৈনিক জনকথা

সম্পাদক ও প্রকাশক: ওয়াদুদ খন্দকার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক জনকথা
ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: কোন শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না?
0:00 0:00
1.0x