ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
দৈনিক জনকথা

প্রাথমিকের স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টির মেলবন্ধনে নতুন দিগন্ত, প্রয়োজন কঠোর নজরদারি ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা



প্রাথমিকের স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টির মেলবন্ধনে নতুন দিগন্ত, প্রয়োজন কঠোর নজরদারি 

ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা

ঢাকা: দেশের প্রতিটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান শর্ত। ক্ষুধাগ্রস্ত বা অপুষ্টিতে ভোগা কোনো শিশুর পক্ষে শ্রেণিকক্ষে পাঠে মনোযোগ দেওয়া কঠিন। এই সত্যকে সামনে রেখে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে সরকারের 'স্কুল ফিডিং কর্মসূচি' বা মিড-ডে মিল উদ্যোগ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে দেশের নির্ধারিত নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার কার্যক্রম চালু রয়েছে। যা প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের দারিদ্র্যপীড়িত ও খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোর ওপর ভিত্তি করে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১৫০টি উপজেলা বা অঞ্চলের প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৩১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি।

দৈনিক জনকথা

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


প্রাথমিকের স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টির মেলবন্ধনে নতুন দিগন্ত, প্রয়োজন কঠোর নজরদারি ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রাথমিকের স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টির মেলবন্ধনে নতুন দিগন্ত, প্রয়োজন কঠোর নজরদারি 

ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা

ঢাকা: দেশের প্রতিটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান শর্ত। ক্ষুধাগ্রস্ত বা অপুষ্টিতে ভোগা কোনো শিশুর পক্ষে শ্রেণিকক্ষে পাঠে মনোযোগ দেওয়া কঠিন। এই সত্যকে সামনে রেখে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে সরকারের 'স্কুল ফিডিং কর্মসূচি' বা মিড-ডে মিল উদ্যোগ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে দেশের নির্ধারিত নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার কার্যক্রম চালু রয়েছে। যা প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। 


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের দারিদ্র্যপীড়িত ও খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোর ওপর ভিত্তি করে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১৫০টি উপজেলা বা অঞ্চলের প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৩১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি।


দৈনিক জনকথা

সম্পাদক ও প্রকাশক: ওয়াদুদ খন্দকার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক জনকথা
প্রাথমিকের স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ঝরে পড়া রোধ ও পুষ্টির মেলবন্ধনে নতুন দিগন্ত, প্রয়োজন কঠোর নজরদারি ওয়াদুদ খন্দকার, দৈনিক জনকথা
0:00 0:00
1.0x