প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
দেড় লাখ টাকার গরু কিনে টাকার বদলে কাগজের বান্ডিল দিয়ে প্রতারক উধাও নিজস্ব প্রতিবেদক: — ওয়াদুদ খন্দকার, জনকথা
ওয়াদুদ খন্দকার ||
দেড় লাখ টাকার গরু কিনে টাকার বদলে কাগজের বান্ডিল দিয়ে প্রতারক উধাওনিজস্ব প্রতিবেদক: — ওয়াদুদ খন্দকার, জনকথাগরু বিক্রি করে প্রতারণার শিকার হয়েছেন এক খামারি। দেড় লাখ টাকায় গরু কিনে আসল টাকার বদলে কাগজের বান্ডিল বুঝিয়ে দিয়ে চম্পট দিয়েছে এক প্রতারক চক্র। চাঞ্চল্যকর এই প্রতারণার ঘটনাটি ঘটেছে স্থানীয় একটি পশুর হাটে। ভুক্তভোগী খামারির নাম ও এলাকার মানুষের মধ্যে এই ঘটনা তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।ভুক্তভোগী জানান, তিনি তাঁর লালন-পালন করা একটি বড় গরু হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। হাটে এক ক্রেতা গরুটি পছন্দ করেন এবং দীর্ঘ দরদামের পর দেড় লাখ টাকায় মূল্য নির্ধারণ হয়। ক্রেতা সেজে আসা প্রতারক অত্যন্ত চতুরতার সাথে তার সাথে কথা বলে এবং বিশ্বাস অর্জন করে।গরু পছন্দ হওয়ার পর প্রতারক ব্যক্তিটি তাঁর পকেট থেকে ব্যাংকের সিলযুক্ত এবং রাবার ব্যান্ড দিয়ে মোড়ানো কয়েকটি টাকার বান্ডিল বের করে বিক্রেতার হাতে দেয়। ওপরের এবং নিচের নোটগুলো আসল পাঁচশত ও এক হাজার টাকার হওয়ায় বিক্রেতা প্রথমে সন্দেহ করেননি। হাটুরে ভিড় এবং তাড়াহুড়োর সুযোগ নিয়ে প্রতারক গরুটি নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।পরবর্তীতে বিক্রেতা টাকাগুলো গুনে দেখার জন্য বান্ডিলের ভেতরের অংশ উল্টে দেখতেই হতবাক হয়ে যান। তিনি দেখেন, বান্ডিলের ওপর ও নিচে আসল নোট থাকলেও ভেতরের অংশজুড়ে রয়েছে সাদা কাগজ কেটে বানানো নকল নোটের স্তূপ। ততক্ষণে প্রতারক গরুটি নিয়ে জনসমুদ্রে মিলিয়ে গেছে। হাটে ও আশেপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এই ঘটনায় ভুক্তভোগী খামারি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। কষ্টের উপার্জনে গড়া গরু হারিয়ে তিনি এখন নিঃস্ব। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, পশুর হাটগুলোতে ইদানীং প্রতারক চক্রের আনাগোনা বেড়েছে। জাল নোট এবং কাগজের বান্ডিল দিয়ে সাধারণ বিক্রেতাদের ঠকানোর জন্য এরা নানারকম ফন্দি আঁটে। হাট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারি এবং নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এই ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: ওয়াদুদ খন্দকার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক জনকথা